| ঢাকা, বাংলাদেশ | রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬ |
1767864071.png 1647622201.jpg

বিভাগ : অর্থ-বাণিজ্য তারিখ : ০৮-১১-২০২৬

নিম্ন-মধ্যবিত্তের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে সব ধরনের মাছের দাম


  ভয়েস এশিয়ান ডেস্ক


ভয়েস এশিয়ান, ০৮ নভেম্বর, ২০২৬।। নিত্যপণ্যের বাজারে এখন মাছের দাম যেন সাধারণ ভোক্তার নাগালের বাইরে। ইলিশ, চিংড়ি, পাবদা, রুই, কাতলা থেকে শুরু করে পাঙ্গাশ কিংবা তেলাপিয়া, প্রতিটি মাছের দরই বাড়তি। ভোক্তারা বলছেন, প্রতিদিনের খাবারের তালিকা থেকে মাছ বাদ পড়ার উপক্রম হয়েছে।
 
বাজারে আসা কয়েকজন ক্রেতা অভিযোগ করে বলেন, ‘বাজারে ৭০০ থেকে ৮০০ টাকার মধ্যে কেনার মতো কোনো মাছ নেই। মাছের দাম আমাদের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে।’
 
যাত্রাবাড়ীর এই পাইকারি আড়ত থেকে ঢাকার বিভিন্ন বাজারে মাছ সরবরাহ হয়। সরবরাহে ঘাটতি এবং পরিবহন খরচসহ নানা কারণে মাছের দাম এখন বাড়তি বলে জানান পাইকাররা।
 
দাম বৃদ্ধির বিষয়ে বিক্রেতারা বলেন, ‘জেলেদের মাছ ধরার কাজে ডিজেল খরচ হয়। এরপর মাছ পরিবহনের ট্রাকেও ডিজেল খরচ রয়েছে। সব মিলিয়ে এসব খরচের কারণে মাছের দাম কিছুটা বেড়ে যায়। অন্যদিকে, সরবরাহের ক্ষেত্রে বাইরের দেশ থেকে মাছ আমদানি বন্ধ রয়েছে।’
 
পাইকারি থেকে খুচরা পর্যায়ে আসতে মাছের দাম অনেকটা বেড়ে যায়। কেজিতে পার্থক্য দাঁড়ায় ৫০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত। আবার রাজধানীর বিভিন্ন এলাকাভেদেও দাম ওঠানামা করে। খুচরা ব্যবসায়ীদের দাবি, মাছের সরবরাহ কম হওয়ার কারণে দাম এখন বাড়তি।
 
তারা আরও বলেন, ‘নদীর মাছের দাম আমরা বেশি ওঠানামা করতে দেখি। তবে চাষের মাছের দাম খুব একটা ওঠানামা করে না। মাছের আমদানি বেশি হলে দাম কম থাকে।’
 
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, উৎপাদন বাড়াতে গিয়ে খামারিদের ব্যয় বেড়েছে। বিশেষ করে মাছের খাদ্য বা ফিডের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি উৎপাদন খরচ বাড়িয়ে দিয়েছে। পাশাপাশি, দিন দিন উন্মুক্ত জলাশয় কমায় দেশি প্রজাতির মাছের পরিমাণ কিছুটা কমতির দিকে।
 
এদিকে মৎস্য অধিদপ্তরের অভ্যন্তরীণ মৎস্য পরিচালক মো. মোতালেব হোসেন বলেন, ‘বাংলাদেশে বর্তমানে মাছের কোনো ঘাটতি নেই। তবে মাছের দাম কিছুটা বেশি হতে পারে। প্রস্তুত মাছের দাম নির্ভর করে এর উপকরণগুলোর দামের ওপর। মাছের খাবার তৈরির জন্য বিদেশ থেকে অনেক উপকরণ আমদানি করতে হয়। ফিড মিলে মাছের খাবার তৈরিতে ব্যবহৃত এসব উপকরণের দামও অনেক বেশি। এছাড়া জলাভূমির পরিমাণ কমে গেছে। দূষণের কারণেও মাছের উৎপাদন কমে গেছে।’
 
ভোক্তা সংগঠন ক্যাব বলছে—বিভিন্ন স্তরের ব্যবসায়ীদের অতিরিক্ত মুনাফা লাভের মানসিকতাই মাছের দাম এভাবে বাড়িয়ে রাখছে।
 
তবে ক্যাবের সহ-সভাপতি এস এম নাজের হোসাইন বলেন, ‘ব্যবসায়ীরা দাদন দিয়ে আগেই মাছ কিনে নিচ্ছেন। এর পেছনে তাদের এক ধরনের কারসাজি রয়েছে। খুচরা বিক্রেতা কিংবা পাইকারি ব্যবসায়ীদের কাছে মাছ কেনাবেচার কোনো রসিদ নেই। তারা কী দামে মাছ কিনছেন এবং কী দামে বিক্রি করছেন, তারও কোনো রেকর্ড নেই। ফলে তারা ইচ্ছামতো মুনাফা করছেন।’
 
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেশে মাছের উৎপাদন বাড়ছে। সরকারি পরিসংখ্যানমতে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশে মাছের উৎপাদন হয়েছে ৫১ লাখ মেট্রিক টনেরও বেশি।

 





 

অর্থ-বাণিজ্য

অক্টোবরে নিত্যপণ্যের দাম বেড়েছে ৪.৩৯ শতাংশ, সবচেয়ে বেশি মাছের

রমজান ঘিরে পণ্য আমদানি সহজ করল বাংলাদেশ ব্যাংক

আগাম শীতের সবজিতে স্বস্তি মিললেও চড়া মাছ-মাংসের বাজার

টানা তৃতীয় দফায় ১২০৭২ টাকা বাড়ল স্বর্ণের দাম

ডিসেম্বরের মধ্যে শ্রমিকদের নতুন বেতন কাঠামো: মজুরি বোর্ডের চেয়ারম্যান

পোশাক শিল্পে অস্থিরতা, ৬৮১ কারখানায় উৎপাদন ব্যাহত

১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ২২৩ টাকা বেড়ে ২০৬০ টাকা

নারায়ণগঞ্জে গার্মেন্টস শ্রমিকদের সাড়ে ৩ ঘণ্টা সড়ক অবরোধ

চার দিন বন্ধ থাকবে সামিটের এলএনজি টার্মিনাল, কমবে গ্যাস সরবরাহ

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম চার মাসে বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানি বেড়েছে ৫.৮৮%

অর্থ-বাণিজ্য বিভাগের আরো খবর


1585646778.gif 1585646793.jpg 1585646805.gif

1615174445.gif

1761832476.jpg




Copyright © 2017-2026   |   Voice Asian - Asian Based News Portal
Contact: voiceasianinfo@gmail.com
   
Visitor Counter
Online15
Today5470
Yesterday6284
TOTAL7723218