ভয়েস এশিয়ান, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬।। ২০২৭ শিক্ষাবর্ষে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তির আবেদন করতে হবে অনলাইনে। নতুন ভর্তি নীতিমালা অনুযায়ী, প্রথম শ্রেণিতে আবেদনের ফি সর্বোচ্চ ১১০ টাকা এবং দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণিতে সর্বোচ্চ ২৫০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে সেশন চার্জসহ ভর্তি ফি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী নির্ধারণ করতে হবে।
নীতিমালায় বলা হয়েছে, সারা দেশের সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তির আবেদন গ্রহণ, আবেদন ফি জমা, ফলাফল প্রক্রিয়াকরণ ও প্রকাশ—সব কার্যক্রম অনলাইনে সম্পন্ন করতে হবে। নির্ধারিত সফটওয়্যারের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। ডিজিটাল লটারি আয়োজনের আগে সফটওয়্যারের যথার্থতা সরকার স্বীকৃত অন্য একটি কারিগরি প্রতিষ্ঠান দিয়ে যাচাই করাতে হবে।
বদলির ক্ষেত্রে সন্তানদের ভর্তির সুযোগ
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এক কর্মস্থল থেকে অন্য কর্মস্থলে বদলি হলে তাঁদের সন্তানদের সরকারি বা বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য আবেদন করার সুযোগ থাকবে। এ ক্ষেত্রে বদলির আদেশ জারির তারিখ থেকে ১২ মাসের মধ্যে প্রয়োজনীয় প্রমাণপত্রসহ ভর্তি কমিটির সভাপতির কাছে আবেদন করতে হবে।
নীতিমালা অনুযায়ী, মহানগর, সিটি করপোরেশন ও বিভাগীয় শহরের মধ্যে বদলির ক্ষেত্রে নতুন কর্মস্থল আগের কর্মস্থল থেকে ১০ কিলোমিটারের বেশি দূরে হলে কর্মস্থলের নিকটতম সরকারি বা বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সন্তানকে ভর্তির সুযোগ দেওয়া যাবে। জেলা, উপজেলা ও থানার ক্ষেত্রে নতুন কর্মস্থলের নিকটবর্তী বিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ থাকবে।
বদলির কারণে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের ভর্তির জন্য প্রতিটি শ্রেণির প্রতিটি শাখায় মোট আসনের ৫ শতাংশ অতিরিক্ত আসন সংরক্ষিত থাকবে। এ ক্ষেত্রে সরকারি বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা অগ্রাধিকার পাবে। কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী আগের কর্মস্থলে পুনরায় বদলি হলে তাঁর সন্তানও আগের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পুনরায় ভর্তির সুযোগ পাবে।
এ ছাড়া সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত শিক্ষক-কর্মচারীদের ভর্তি উপযুক্ত সন্তানের সংখ্যার সমান অতিরিক্ত আসন সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ে সংরক্ষণের বিধান রাখা হয়েছে। কর্মরত বিদ্যালয়ে উপযুক্ত শ্রেণি না থাকলে নিকটবর্তী উপযুক্ত সরকারি বিদ্যালয়ে আসন সংরক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে।
নীতিমালায় আরও বলা হয়েছে, ভর্তি কার্যক্রম তদারকিতে ঢাকা মহানগর, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে পৃথক ভর্তি কমিটি থাকবে। ভর্তি-সংক্রান্ত কোনো অস্পষ্টতা বা সমস্যা দেখা দিলে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী তা নিষ্পত্তি করতে হবে।