ভয়েস এশিয়ান, ০২ এপ্রিল, ২০২৬।। করোনার নতুন ভেরিয়েন্ট ‘সিকাডা’ (বিএ.৩.২) নিয়ে আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা সতর্কতা জারি করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে দ্রুত ছড়িয়ে পড়া এই ভেরিয়েন্টের সংক্রমণ ২০২৪ সালে প্রথম শনাক্ত হলেও ২০২৫ সালের শেষের দিকে তা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে।
ফেব্রুয়ারিতে পূর্ব ইউরোপের কিছু দেশে মোট সংক্রমণের প্রায় ৩০ শতাংশ রোগী এই ভেরিয়েন্টে আক্রান্ত ছিলেন।
বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, বিএ.৩.২ ভেরিয়েন্টের প্রায় ৭০–৭৫টি মিউটেশনের কারণে এটি আগের ভেরিয়েন্টগুলোর তুলনায় ভিন্ন এবং শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ও ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা কমিয়ে দিতে সক্ষম। ফলে অনেকেই সংক্রমণকে সাধারণ ফ্লু হিসেবে ভুলে হালকাভাবে নেন, যা স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়াচ্ছে।
সংক্রমণের ৭টি মূল উপসর্গ যেগুলো দেখে বুঝা যায় আক্রান্ত কিনা:
১. গলায় ব্যথা, গিলতে অসুবিধা। এটাই বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সিকাডা সংক্রমণের প্রাথমিক উপসর্গ। সাধারণত এই উপসর্গ ৩-৫ দিন পর্যন্ত থাকে।
২. শুকনো কাশি বিশেষ করে রাতে, কাশির সঙ্গে বুকে ব্যথা।
৩. বিশ্রাম নেওয়ার পরও ক্লান্তি থাকা। সঙ্গে শ্বাসকষ্ট।
৪. মাথা ভার, নাক দিয়ে পানি পড়ার সঙ্গে হালকা জ্বর বা গায়ে ব্যথা।
৫. গায়ে ব্যথা সাধারণ ফ্লু-এর উপসর্গ! একইসঙ্গে কোভিডেরও। বিশেষ করে প্রথম ৪৮ ঘণ্টায়।
৬. সর্দি-কাশির সঙ্গে মাথায় প্রচণ্ড ব্যথা হওয়া।
৭. বমিবমি ভাব, ডায়েরিয়া, খিদে কমে যাওয়া। সাধারণত দ্বিতীয় দিন এই উপসর্গগুলো দেখা দেয়।
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, এই ভেরিয়েন্টের সংক্রমণ নির্ধারণে উপসর্গগুলোকে উপেক্ষা করা বিপজ্জনক। তাই উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত পরীক্ষা এবং চিকিৎসা গ্রহণ করা গুরুত্বপূর্ণ।
সূত্র:ইউএসএটুডে