| ঢাকা, বাংলাদেশ | শুক্রবার, ২৮ আগষ্ট ২০২৬ |
1767864071.png 1647622201.jpg

বিভাগ : অর্থ-বাণিজ্য তারিখ : ২৬-০৮-২০২৬

ছুটির দিনেও সবজি বাজারে অস্বস্তি


  ভয়েস এশিয়ান ডেস্ক


ভয়েস এশিয়ান, ২৬ আগষ্ট, ২০২৬।। পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে বুধবার (২৬ আগস্ট) সরকারি ছুটির দিনে বাজারে ক্রেতার সমাগম তুলনামূলক কম থাকলেও মাছ, মাংস ও সবজির দামে স্বস্তি ফেরেনি। বাজারভেদে দামে সামান্য তারতম্য থাকলেও বেশিরভাগ সবজি বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ৭০ থেকে ১৬০ টাকায়। তবে ডিমের দর গত সপ্তাহের চেয়ে কিছুটা চড়া। মাছ ও মাংসের চড়া দামের সঙ্গে সবজির এ উচ্চমূল্যে নিম্ন ও সীমিত আয়ের মানুষের ভোগান্তি বেড়েছে।

সকালে রাজধানীর রায়ের বাজার ও মোহাম্মদপুর কৃষি বাজার ঘুরে পণ্যের দরদামের এই তথ্য পাওয়া যায়। প্রতিটি বাজারেই পণ্যের দামে ১০ থেকে ২০ টাকার ব্যবধান দেখা গেছে।

সরেজমিন দেখা যায়, বেগুন, করলা, বরবটি, ঢ্যাঁড়স, পটল ও কাঁকরোলসহ বেশিরভাগ সবজি বিকোচ্ছে ৭০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে। কিছুটা কম দামে শসা পাওয়া যাচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকায়। বর্ষা মৌসুমেই বাজারে আসা শীতের আগাম শিম বিক্রি হচ্ছে ১৬০ থেকে ১৮০ টাকা কেজিতে। তুলনামূলক সবচেয়ে কম দামে মিলছে পেঁপে, কেজি ৪০ টাকা।

এদিকে সবজির চড়া মেজাজের মধ্যেও কিছুটা স্বস্তি এনেছে কাঁচা মরিচ। কয়েক সপ্তাহ আগে যে কাঁচা মরিচ কেজিপ্রতি ৪০০ টাকায় উঠেছিল, বাজারে সরবরাহ বাড়ায় তা এখন মানভেদে ১৪০ থেকে ১৮০ টাকায় নেমেছে।

দাম চড়া সবজির তালিকায় রয়েছে লম্বা বেগুন (কেজি ১০০ টাকা), গোল বেগুন (১২০ টাকা) এবং টমেটো (১২০ থেকে ১৪০ টাকা)। এ ছাড়া বরবটি, ঝিঙা ও করলা ৮০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। প্রতি পিস লাউ ৬০ থেকে ৭০ টাকা ও কচুরমুখি ৮০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।

সবজি কিনতে আসা রাবেয়া বেগম জানান, আগে অল্প টাকায় এক ব্যাগ সবজি কেনা গেলেও এখন ব্যাগে টাকা নিয়ে গেলেও সবজি মেলে না। দেশে উৎপাদিত সব পণ্যের দামই চড়া। ব্যবসায়ীদের ইচ্ছামতো দাম নির্ধারণের কারণে সাধারণ ক্রেতারা হিমশিম খাচ্ছেন।

রায়ের বাজারের আরেক ক্রেতা রফিকুল ইসলাম বলেন, আগে ১০০ টাকায় কয়েক পদের সবজি কেনা যেত। এখন এক কেজি সবজি কিনতেই ৮০ থেকে ১০০ টাকা শেষ। ফলে এক হাজার টাকা নিয়ে বাজারে গিয়ে সামান্য পণ্য নিয়েই ফিরতে হচ্ছে।

বিক্রেতারা অবশ্য দাম বৃদ্ধির পেছনে সাম্প্রতিক বৃষ্টি ও আবহাওয়াকে দায়ী করছেন। সবজি ব্যবসায়ী দিদারুল আলম জানান, অতিবৃষ্টিতে ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া এবং মোকাম থেকে সরবরাহ কমে যাওয়ায় বাজারে এর প্রভাব পড়েছে। আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে দাম আবার কমে আসতে পারে।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, মুরগির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। বাজারে ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ১৯০ টাকা ও সোনালি মুরগি ৩২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে ডিমের বাজার চড়াই রয়ে গেছে প্রতি ডজন ১৫০ টাকা ও হালি ৫০ টাকা। গত সপ্তাহে ডজনে দুই-এক টাকা ছাড় পাওয়া গেলেও এখন তা মিলছে না।

মাছের বাজারেও নেই স্বস্তির আভাস। তেলাপিয়া ২৫০-২৬০ টাকা, পাঙাশ ২২৩-২৫০ টাকা, রুই-কাতল ৩৮০-৪২০ টাকা এবং চিংড়ি ১০-১৩০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০, বড় রুই ৪৫০ থেকে ৫০০ ও ট্যাংরা ৭০০ টাকা দরে বিকোচ্ছে। ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, বাইন ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, দেশি কই ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, চাষের কই ৩০০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা এবং শোল মাছ ৭০০ টাকা কেজি। রূপচাঁদা কিংবা নদীর বেলে মাছ কিনতে কেজিপ্রতি গুনতে হচ্ছে হাজার টাকার বেশি।

মাছ বিক্রেতা কাইয়ূম জানান, মাছের সার্বিক দামে বড় পরিবর্তন নেই, আগের দরই বজায় রয়েছে। তবে সরবরাহ ভেদে সপ্তাহে কোনো দিন ২০-৩০ টাকা কমলে পরদিনই আবার বেড়ে যাচ্ছে।

 





 

অর্থ-বাণিজ্য

বন্ধ কলকারখানা চালু করতে ৪১ হাজার কোটি টাকা প্রণোদনা দেবে ১৭ ব্যাংক

ডিম কিনতে হিমশিম খাচ্ছেন নিম্ন আয়ের মানুষ

বিশ্ববাজারে কমল তেলের দাম

আগস্টের ২২ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২১৪ কোটি ৮০ লাখ ডলার

সচল দুই টার্মিনাল, তবুও কাটছে না এলএনজি সংকট

নিত্যপণ্যের চড়া দাম, দিশেহারা সাধারণ মানুষ

গ্যাস সংকটে স্থবির পোশাক খাত: বিকেএমইএর ৬ দফা দাবি

নিত্যপণ্যের চড়া দামে হিমশিম খাচ্ছেন ক্রেতা

সোনার গহনার দাম ভরিতে বাড়লো ৩৮৪৯ টাকা

১৭ দিনে রেমিট্যান্স এল ২৩ হাজার কোটি টাকা

অর্থ-বাণিজ্য বিভাগের আরো খবর


1585646778.gif 1585646793.jpg 1585646805.gif

1615174445.gif

1761832476.jpg




Copyright © 2017-2026   |   Voice Asian - Asian Based News Portal
Contact: voiceasianinfo@gmail.com
   
Visitor Counter
Online17
Today5059
Yesterday6170
TOTAL7249617