| ঢাকা, বাংলাদেশ | শনিবার, ২২ আগষ্ট ২০২৬ |
1767864071.png 1647622201.jpg

বিভাগ : জাতীয় তারিখ : ২০-০৮-২০২৬

কুনমিংয়ে কাল শুরু হচ্ছে ফ্রুটস ফেস্টিভ্যাল

ফল ও কৃষিপণ্যে চীনের বাজার ধরতে চায় বাংলাদেশ


  ভয়েস এশিয়ান ডেস্ক


ভয়েস এশিয়ান, ২০ আগষ্ট, ২০২৬।। চীনের বিশাল ভোক্তা বাজারে বাংলাদেশের ফল ও কৃষিপণ্যের জায়গা তৈরি করতে নতুন করে তৎপরতা বাড়াচ্ছে সরকার। এর অংশ হিসেবে আগামীকাল শুক্রবার (২১ আগস্ট) চীনের ইউনান প্রদেশের রাজধানী কুনমিংয়ে শুরু হতে যাওয়া মেকং-লানচান ফ্রুটস ফেস্টিভ্যাল ২০২৬-এ দ্বিতীয়বারের মতো অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশ।

এবারের আয়োজনকে শুধু পণ্য প্রদর্শনী নয়, চীনা ক্রেতা ও আমদানিকারকদের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি বাণিজ্যিক সম্পর্ক তৈরির সুযোগ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

উৎসবে বাংলাদেশের কয়েকটি প্রতিষ্ঠান তাজা ও শুকনো ফলসহ বিভিন্ন কৃষিপণ্য প্রদর্শন করবে। আম, কাঁঠাল, লিচুর পাশাপাশি প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যেরও চীনের বাজারে সম্ভাবনা রয়েছে। তবে বাজার বড় হলেই যে রপ্তানি আপনাআপনি বড় হবে, বাংলাদেশের আগের অভিজ্ঞতা তা বলছে না।

চীনের সঙ্গে কৃষিপণ্য বাণিজ্যে বড় সুবিধা তৈরি হয়েছে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) ও ইউনান প্রদেশের বাণিজ্য বিভাগের সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে একই ফ্রুটস ফেস্টিভ্যালে এই চুক্তি সই হয়।

এর আওতায় বাংলাদেশি রপ্তানিকারকেরা ইউনানে সর্বোচ্চ দুই হাজার বর্গমিটার পর্যন্ত ভাড়ামুক্ত বন্ডেড গুদাম ও প্রদর্শনী স্থান, অনলাইন মার্কেটপ্লেসে প্রবেশ এবং তাজা কৃষিপণ্যের দ্রুত কাস্টমস ক্লিয়ারেন্সসহ বিভিন্ন সুবিধা পাওয়ার কথা রয়েছে। চীনের বাজারে বাংলাদেশের আম প্রবেশের অনুমতি মিলেছিল ২০২৪ সালেই। কিন্তু দুই বছরে রপ্তানি হয়েছে প্রায় ছয় টন, তাও পরীক্ষামূলক চালান হিসেবে।

বাংলাদেশের ও চীনের আমের মৌসুম প্রায় একই সময়ে হওয়া এবং পরিবহন ব্যয় বেশি হওয়ায় বাংলাদেশি আমকে স্থানীয় চীনা ফলের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে হচ্ছে। অর্থাৎ বাজারে প্রবেশের অনুমতি পাওয়া আর লাভজনকভাবে বাজার দখল করা এক বিষয় নয়।

তবে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে কাঁঠাল ঘিরে। চলতি বছর বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে কাঁঠাল রপ্তানি নিয়ে সমঝোতা চূড়ান্ত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও সংসদে বলেছেন, চীনে বাংলাদেশি কাঁঠাল রপ্তানি শুরু হলে বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে। এর আগে চীনা কর্তৃপক্ষ গাজীপুরের কাঁঠাল বাগান পরিদর্শন ও উৎপাদন প্রক্রিয়া যাচাই করেছে।

চীনের বাজার ধরতে হলে অবশ্য শুধু ফল উৎপাদন করলেই হবে না। আন্তর্জাতিক মানের প্যাকেজিং, শীতল সংরক্ষণব্যবস্থা, দ্রুত পরিবহন, কীটপতঙ্গমুক্ত উৎপাদন এবং নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। তাজা ফলের ক্ষেত্রে কয়েক দিনের বিলম্বই পুরো চালানের বাণিজ্যিক মূল্য কমিয়ে দিতে পারে।

কুনমিংয়ের উৎসব বাংলাদেশের জন্য দরজা খুলতে পারে, কিন্তু সেই দরজা দিয়ে নিয়মিত বাণিজ্য করতে হবে রপ্তানিকারকদেরই। চীনের বাজারে স্থায়ী জায়গা তৈরি করা গেলে কৃষকের জন্য ভালো দাম, প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যে নতুন বিনিয়োগ এবং পোশাকনির্ভর রপ্তানির বাইরে নতুন আয়ের পথ তৈরি হতে পারে।

 

 





 

জাতীয়

এলএনজির কার্গো এলে গ্যাস সংকট কাটার আশা

এআই ক্যামেরার চোখে রাজধানীর সড়ক, কোন অপরাধে কত জরিমানা

রাষ্ট্রপতি কার্যালয়সহ ৩ সচিব পদে রদবদল

শপথ নিলেন ৪ মন্ত্রী ও ২ প্রতিমন্ত্রী

দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম

বৃষ্টি কমে বাড়তে পারে ভ্যাপসা গরম

নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি শপথ নেবেন আজ

রাজধানীতে যানজট নিয়ন্ত্রণে যুক্ত হচ্ছে ড্রোন সার্ভিলেন্স

মির্জা ফখরুলকে ২৩তম রাষ্ট্রপতি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি

নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতিকে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন

জাতীয় বিভাগের আরো খবর


1585646778.gif 1585646793.jpg 1585646805.gif

1615174445.gif

1761832476.jpg




Copyright © 2017-2026   |   Voice Asian - Asian Based News Portal
Contact: voiceasianinfo@gmail.com
   
Visitor Counter
Online13
Today542
Yesterday5066
TOTAL7213160