| ঢাকা, বাংলাদেশ | শুক্রবার, ৩০ জুলাই ২০২১ |
1626857388.gif 1627211911.jpg

বিভাগ : অর্থ-বাণিজ্য তারিখ : ১৪-০৭-২০২১

হাসেম গ্রুপের ২ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিয়ে দুশ্চিন্তায় কয়েক ব্যাংক


  ভয়েস এশিয়ান ডেস্ক


ভয়েস এশিয়ান, ১৪ জুলাই, ২০২১।। সজীব গ্রুপকে ঋণ দেওয়া বেশ কয়েকটি ব্যাংক দুশ্চিন্তায় রয়েছে। এ দুশ্চিন্তার মূল কারণ, ঋণের টাকা ফেরত পাওয়া নিয়ে। এই গ্রুপের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে আলাদাভাবে ঋণ দিয়েছে দেশের কয়েকটি বেসরকারি ব্যাংক।

ব্যাংকগুলোর মধ্যে রয়েছে মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংক, প্রাইম ব্যাংক, মধুমতি ব্যাংক, পূবালী ব্যাংক, ব্যাংক এশিয়া, বেসিক ব্যাংক ও মার্কেন্টাইল ব্যাংক। এসব বেসরকারি ব্যাংকের মোট ঋণের পরিমাণ প্রায় ২ হাজার কোটি টাকা।

নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, যেসব বেসরকারি ব্যাংক সজীব গ্রুপের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে ঋণ দিয়েছে তা অনেক ক্ষেত্রে পারস্পরিক সম্পর্কের ভিত্তিতে। আবার কোনো কোনো ক্ষেত্রে চাপের মুখেও দিতে হয়েছে। তবে কোথা থেকে কীভাবে চাপ এসেছে সে বিষয়ে সূত্র কোনো ধরনের মন্তব্য করতে অস্বীকার করেন।

ওয়ান ইলেভেনের সময় সজীব গ্রুপ বিভিন্ন বেসরকারি ব্যাংক থেকে জামানত ছাড়াই ঋণ নিয়েছে। ঋণের ক্ষেত্রে তাদের পণ্যের গুণগত মানও বিচার-বিশ্লেষণ করা হয়েছে। এমনকি কোনো কোনো ব্যাংক গ্রুপের সুনামের ওপর ভিত্তি করে মোটা অঙ্কের ঋণ দেয়। এখন সেই ঋণের টাকা ফেরত পাবে কি না এ নিয়ে বিভিন্ন ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী থেকে শুরু করে শাখা প্রধানদের কপালে দুশ্চিন্তার ভাঁজ পড়েছে।

এ বিষয়ে সজীব গ্রুপকে ঋণ দেওয়া একটি বেসরকারি ব্যাংকের প্রধান জানিয়েছেন, সজীব গ্রুপ যে এই ধরনের দুর্ঘটনা ঘটাবে তা কল্পনার বাইরে। এখন শুনতে পারছি, তাদের গ্রুপের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ফায়ার লাইসেন্স নবায়ন করা ছিল না। আর এত বড় কারখানা সেখানে জরুরি অবস্থায় কর্মরত কর্মচারী ও শ্রমিকদের বের হওয়ার জন্য কোনো ধরনের বিকল্প রাস্তা ছিল না। এখন থেকে যেকোনো বড় প্রতিষ্ঠানে ঋণ দেওয়ার ব্যাপারে এ বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।



বেসরকারি ব্যাংকের আরেক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, ঋণের টাকা ফেরত পাওয়া যাবে কি না তা আমাদের কিছুটা দুশ্চিন্তায় ফেলে দিয়েছে। তবে তাদের যেহেতু অনেক প্রতিষ্ঠান রয়েছে তাই ঋণ ফেরত পাওয়ার ব্যাপারে আমরা আমাদের মতো করে উদ্যোগ নেব। তবে তারা প্রথমে এসএমই হিসেবে জামানত ছাড়াই ঋণ নিয়েছে। পরে আরও অন্য প্রতিষ্ঠানের জন্য ঋণ নেয়। এ ক্ষেত্রে একটি ব্যাংক লিড হিসেবে কাজ করেছে। অর্থাৎ অনেক ক্ষেত্রে কনসোর্টিয়ামের ভিত্তিতে ঋণ দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়াও তাদের পণ্যের সুনামের জন্য অনেক ব্যাংক ঋণ দেওয়ার বিষয়ে নমনীয় হয়েছে। কারণ তাদের উৎপাদিত কোনো কোনো পণ্য বিদেশেও রফতানি হয়। এর মধ্যে মধ্যপ্রাচ্য, যুক্তরাষ্ট্র, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও আফ্রিকা বিশেষভাবে উল্লেখ করতে হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের দায়িত্বশীল একজন কর্মকর্তা জানান, কোনোভাবে জামানত ছাড়া ঋণ দেওয়ার বিষয়টি মানা যায় না। তবে এসএমই পণ্যের ক্ষেত্রে কিছুটা ছাড় রয়েছে। কিন্তু সজীব গ্রুপে যে পরিমাণ ঋণ তা যদি জামানত ছাড়াই দেওয়া হয়, সেই ঋণ ফেরত পাওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোকে উদ্যোগ নিতে হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের কোনো সহযোগিতার প্রয়োজন হলে পরিস্থিতি বুঝে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এখনই কিছু বলা যাচ্ছে না।

মে মাস পর্যন্ত ঋণের পরিমাণ ছিল ১ হাজার ৯৯০ কোটি টাকা। এর মধ্যে বেশি ঋণের পরিমাণ হচ্ছে হাসেম ফুডের। ফার্মগেটে অবস্থিত সজীব কপোরেশনের নামে ঋণের পরিমাণ ৩৬০ কোটি টাকা। হাসেম রাইস মিলের জন্য ঋণের পরিমাণ ৩৩৮ কোটি টাকা। এই মিলটি রাজশাহীর গোদাগাড়িতে স্থাপিত। হাসেম ফ্লাওয়ারের নামে ঋণের পরিমাণ প্রায় ২০০ কোটি টাকা।

অন্যদিকে একাধিক সূত্রে জানা গেছে, নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে ভস্মীভূত হাসেম ফুডসের পাশে সজীব গ্রুপের আরও কয়েকটি ভবন রয়েছে। আটা ও ময়দা থেকে শুরু করে ফ্রুটস ড্রিংকস কারখানাগুলো এসব ভবনে রয়েছে। তবে গত বৃহস্পতিবার মমান্তিক দুর্ঘটনার পর থেকে এসব কারখানা বন্ধ রয়েছে।





 

অর্থ-বাণিজ্য

ঢাকায় থাকা শ্রমিকদের নিয়ে কারখানা খোলার প্রস্তাব বিজিএমইএর

নতুন ডিজিটাল লেনদেন সেবা ‘ট্যাপ’

১ ও ৪ আগস্ট ব্যাংক বন্ধ থাকবে

করোনা সংকটের মধ্যেও দেশে কোটিপতি আমানতকারী ৯৪ হাজার ২৭২

রপ্তানি ও রেমিটেন্সে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে বাংলাদেশের অর্থনীতি: এডিবি

ইভ্যালি, ধামাকাসহ দশ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বিকাশের সেবা বন্ধ

লকডাউন শিথিল করায় কিছুটা স্বস্তিতে ব্যবসায়ীরা

ল্যাপটপ-মোবাইল কিনতে ৭০ শতাংশ ঋণ দেবে ব্যাংক

কোরবানি ঘিরে বাড়ছে পেঁয়াজ-মসলার ঝাঁজ

৩১৬ কোটি টাকা লোকসানের পরও ঊর্ধ্বতনদের মাসে বেতন ১৮ লাখ

অর্থ-বাণিজ্য বিভাগের আরো খবর


1585646778.gif 1585646793.jpg 1585646805.gif

1615174445.gif

1627283707.jpg




Copyright © 2017-2021   |   Voice Asian - Asian Based News Portal
Contact: voiceasianinfo@gmail.com

   
StatCOUNTER