| ঢাকা, বাংলাদেশ | শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০ |
1591159570.jpg 1598949083.jpg

বিভাগ : জাতীয় তারিখ : ১৫-০৯-২০২০

করোনাকালেও দেশে বেড়েছে কোটিপতির সংখ্যা


  ভয়েস এশিয়ান ডেস্ক


ভয়েস এশিয়ান, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২০।। বৈশ্বিক মহামারি করোনায় থমকে গেছে অর্থনীতি। ব্যবসা-বাণিজ্যে মন্দা। এর মধ্যেও দেশে বাড়ছে কোটিপতির সংখ্যা। জুন মাস শেষে দেশে কোটিপতি সংখ্যা দাঁড়িয়ে ৮৬ হাজার ৩৭ জন। গত মার্চ শেষে এই সংখ্যা ছিল ৮২ হাজার ৬২৫ জন। অর্থাৎ তিন মাসের ব্যবধানে ব্যাংকে কোটিপতি আমানতকারীর সংখ্যা বেড়েছে তিন হাজার ৪১২ জন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদনে দেখা গেছে, গত এক বছরে কোটিপতি আমানতকারী বেড়েছে ৫ হাজার ৬৪১ জন। এর মধ্যে করোনাকালেই বেড়েছে ৩ হাজার ৪১২ জন। অর্থাৎ গত বছরের জুন মাস শেষে ব্যাংক খাতে কোটিপতি আমানতকারীর সংখ্যা ছিল ৮০ হাজার ৩৯৬ জন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, গত বছরের ১৮ সেপ্টেম্বর শুরু হওয়া ক্যাসিনোবিরোধী অভিযানের পর থেকে ব্যাংকে কোটিপতির সংখ্যা কমে যায়। কিন্তু করোনাকালে ( চলতি বছরের মার্চ থেকে জুন) হঠাৎ করে বেড়ে গেছে এই সংখ্যা। যদিও ২০১৯ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর কোটিপতি আমানতকারীর সংখ্যা কমে দাঁড়ায় ৭৯ হাজার ৮৭৭ জন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য মতে, বিগত ১১ বছর ধরে কোটিপতির সংখ্যা বাড়ছে। ২০০৯ সালের জুন মাস শেষে ব্যাংক খাতে কোটিপতি আমানতকারীর সংখ্যা ছিল ২১ হাজার ৪৯২ জন। এখন এই সংখ্যা ৮৬ হাজার ৩৭ জন। অর্থাৎ গত ১১ বছরে ৬৪ হাজার ৫৪৫ জন মানুষ কোটিপতির তালিকায় নতুন করে নাম লেখিয়েছেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনের তথ্য বলছে, ২০২০ সালের জুন শেষে ৫০ কোটি টাকার বেশি আমানত রাখা ব্যক্তি রয়েছেন এক হাজার ২৬৯ জন। ৪০ কোটি টাকার বেশি আমানত রাখা ব্যক্তি রয়েছেন ৪১৮ জন। ৩৫ কোটি টাকার বেশি আমানত রেখেছেন ২২৪ জন। ৩০ কোটি টাকারও বেশি আমানত রেখেছেন ৩৮৩ জন। ২৫ কোটি টাকার বেশি আমানত রেখেছেন ৬০৫ জন। ২০ কোটি টাকার বেশি আমানত রেখেছেন ৯৯২ জন। ১৫ কোটি টাকার বেশি আমানত রেখেছেন এক হাজার ৪৩০ জন। ১০ কোটি টাকার বেশি আমানত রেখেছেন তিন হাজার ৩০৫ জন। পাঁচ কোটি টাকার বেশি আমানত রেখেছেন নয় হাজার ৫২৯ জন। এক কোটি থেকে পাঁচ কোটি টাকা আমানত রাখা ব্যক্তি ৬৭ হাজার ৮৮২ জন।

এক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ১৯৭২ সালে দেশে কোটিপতি ছিলেন মাত্র পাঁচজন। ১৯৭৫ সালের ডিসেম্বরে এই সংখ্যা বেড়ে ৪৭ জনে দাঁড়ায়। ১৯৮০ সালে এ সংখ্যা দাঁড়ায় ৯৮ জনে। এরশাদ সরকারের পতনের সময় ১৯৯০ সালের ডিসেম্বরে কোটিপতির সংখ্যা ছিল ৯৪৩ জন। ১৯৯৬ সালের জুনে কোটিপতি ছিলেন দুই হাজার ৫৯৪ জন। ২০০১ সালের সেপ্টেম্বর শেষে এ সংখ্যা দাঁড়ায় পাঁচ হাজার ১৬২ জনে। ২০০৬ সালের ডিসেম্বরে কোটিপতির সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় আট হাজার ৮৮৭ জনে। ২০০৮ সালে ব্যাংক খাতে কোটিপতি আমানতকারী ছিল ১৯ হাজার ১৬৩ জন।





 

জাতীয়

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গাইডলাইন পরিপালনে ব্যর্থ বাংলাদেশ

আজ টিকিট পাবেন ৩৫০ সৌদি প্রবাসী

জাতিসংঘে বাংলায় দেয়া বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক সেই ভাষণ

প্রবাসীকর্মীর হাতে অবশেষে স্বস্তির টিকিট

জাতিসংঘে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণের দিন আজ

জলবায়ু পরিবর্তন: পৃথিবীকে রক্ষায় প্রধানমন্ত্রীর ৫ প্রস্তাব

সৌদি যেতে লাগবে স্মার্ট ফোন, শর্ত না মানলে জরিমানা

‘ঢাকায় হচ্ছে ১২৮ কিলোমিটার মেট্রোরেল রুট’

মহামারি ডিজিটাল পরিসেবার শক্তিকে উন্মোচিত করেছে: প্রধানমন্ত্রী

সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আবদুল মোমেনের বৈঠক রোববার

জাতীয় বিভাগের আরো খবর


1585646778.gif 1585646793.jpg 1585646805.gif

1585111810.gif

1585305234.jpg




Copyright © 2017-2020   |   Voice Asian - Asian Based News Portal
Contact: voiceasianinfo@gmail.com